ফোটোগ্রাফি পোস্ট - সিরাজ উদ্যানে কিছুক্ষণ

in hive-129948 •  6 days ago 

কিছুদিন আগে টিনটিন বাবুর হঠাৎই ইচ্ছে হলো একটু বাইরে থেকে একটু ঘুরে আসতে । তো, দ্রুত আমি বিকেলের মধ্যে হাতের কাজ সেরে নিলাম । এরপরে সবাই সাজু গুজু করে বেরিয়ে পড়লাম । আমাদের উদ্দেশ্য ছিল প্রথম শপিংয়ে যাবো, এরপরে আমার নিউ এক জোড়া গ্লাস কিনে সিরাজ উদ্যানে সন্ধ্যেটা কাটিয়ে রেস্তোরাঁতে খেয়ে বাড়ি ফিরবো ।

তো, বেরিয়ে তো পড়লাম । প্রথমে কিছু টুকটাক শপিং করলাম । এরপরে Lenscart এ গেলাম । এক সপ্তাহে অর্ডার করা আমার নতুন চশমাজোড়া এসে গিয়েছে । সেগুলো ডেলিভারি নিয়ে নিলাম । এ যাবৎ হাফ রিম গ্লাস পরে এসেছি সবসময় । এবারই প্রথম ফুল ফ্রেম অর্ডার করলাম । চশমা জোড়ার ফ্রেম দুটো আসলেই চমৎকার দেখতে । পরলে স্মার্ট লাগবে ।

এরপরে সোজা সিরাজ উদ্যানে । কথিত আছে আছে এই উদ্যানের ঠিক মাঝখানে যে সরোবরটি আছে তার পাশে একটি বিশ্রামগৃহ ছিল । নবাব সিরাজ উদ দৌলা কলকাতায় এলে এই বিশ্রামগৃহে সাময়িক বিশ্রাম গ্রহণ করতেন এবং নবাবের হাতি-ঘোড়া এই সরোবরের জল পান করে বিশ্রাম নিতো । নবাব কলকাতায় এলে প্রচুর হস্তী থাকতো তাঁর সাথে । এত হাতির তৃষ্ণা নিবারণের জন্য বিশাল এই সরোবরই ছিল একমাত্র উপযুক্ত জলাশয় । তাই এই সরোবরটির নাম হয়ে গিয়েছিলো "হাতি পুকুর" । এখনো এই নামই আছে ।

টিকিট কেটে ভিতরে তো ঢুকে পড়লাম । কিন্তু, দিনটি ছিল দারুন ভ্যাপসা গরম একটি দিন । তাই, হাঁটতে আমার আর টিনটিনের বেশ কষ্ট হচ্ছিলো । বিশাল হাতি পুকুরের পাশ দিয়ে সুন্দর বাঁধানো রাস্তা । দু'পাশে ফুলের কেয়ারী । কিছুদূর অন্তর অন্তর রাস্তার দু'পাশে অসংখ্য বেঞ্চি পাতা । সান্ধ্যকালীন কপোত কপোতীর ঠেলায় কোথাও একটু বসার মতো নিরিবিলি ফাঁকা স্থান পেলাম না । প্রত্যেকটা বেঞ্চ দখল করে জড়াজড়ি করে বসে রয়েছে এক জোড়া করে কপোত-কপোতী । কেউ আলিঙ্গনাবদ্ধ তো কেউ চুম্বনাবদ্ধ । তাদেরকে দেখলে লজ্জা নিজেই লজ্জা পেয়ে ভ্যানিশ হয়ে যাবে ।

তো, হাঁটার আগ্রহটাই তাই হারিয়ে ফেললাম আমি । ইচ্ছে ছিল টিনটিনকে নিয়ে টয় ট্রেনে উঠে সরোবরটিকে একটি পাক দেবো । কিন্তু, ইচ্ছেটাই মরে গেলো । সরোবরের ঠিক মাঝখানে দারুন সুন্দর একটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে দেখলাম । অবশেষে টাওয়ার অফ লন্ডনের ধাঁচে তৈরী করা একটা টানা ব্রিজের উপর দিয়ে রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করলাম । টিনটিন বাবু আর তনুজা আইসক্রিম খেলো । আমি কিছুই খেলাম না । এরপরে আমরা ফেরার পথ ধরলাম । বাড়ি ফেরার আগে একটা বুফে রেস্টুরেন্টে রাতের খাওয়া শেষ করলাম ।


IMG_20220727_171125.jpg

IMG_20220727_171130.jpg

বেড়ু করতে যাওয়ার আগে গাড়ির বনেটের উপর বসে টিনটিনবাবুর পোজ

তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২২
সময় : বিকেল ৫ টা ২০ মিনিট
স্থান : কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


IMG_20220724_200614.jpg

আমার নতুন চশমা । ফুল ফ্রেম ।

তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২২
সময় : সন্ধ্যা ৬ টা ০০ মিনিট
স্থান : LensCart, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


IMG_20220727_190648.jpg

IMG_20220727_190707.jpg

সন্ধ্যায় টিনটিনবাবুর পার্কে রাইডিং এর কিছু পিক তুললাম ।

তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২২
সময় : সন্ধ্যা ৬ টা ২০ মিনিট
স্থান : সিরাজ উদ্যান, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


IMG_20220731_185307.jpg

IMG_20220731_185403.jpg

সরোবরের মধ্যিখানের সেই রেস্টুরেন্টে ঢোকার টাওয়ার অফ ব্রিজের প্রবেশদ্বার ।

তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২২
সময় : সন্ধ্যা ৬ টা ৩০ মিনিট
স্থান : সিরাজ উদ্যান, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


IMG_20220731_191311.jpg

IMG_20220731_191324.jpg

IMG_20220731_191358.jpg

IMG_20220731_191405.jpg

IMG_20220731_191434.jpg

IMG_20220731_191456.jpg

সরোবরের চারিপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য প্রমান সাইজের পাথরের স্ট্যাচু । নবাব সিরাজের হাতি, ঘোড়সওয়ার আর পদাতিক বাহিনী, অসংখ্য হাতি আর ঘোড়া এবং রবার্ট ক্লাইভ সহ বেশ কিছু ইংরেজের স্ট্যাচ্যু । সবই প্রমান মাপের ।

তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২২
সময় : সন্ধ্যা ৬ টা ৫০ মিনিট
স্থান : সিরাজ উদ্যান, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


IMG_20220731_191550.jpg

IMG_20220731_191559.jpg

একটি ফোয়ারা ও কামান

তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২২
সময় : সন্ধ্যা ৭ টা ০০ মিনিট
স্থান : সিরাজ উদ্যান, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


IMG_20220722_204135.jpg

আমার একটা সেলফি পার্ক থেকে বেরিয়ে আসার পর তোলা ।

তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২২
সময় : সন্ধ্যা ৭ টা ১০ মিনিট
স্থান : সিরাজ উদ্যান, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


ক্যামেরা পরিচিতি : OnePlus
ক্যামেরা মডেল : EB2101
ফোকাল লেংথ : ৫ মিমিঃ



পরিশিষ্ট


প্রতিদিন ১৫০ ট্রন করে জমানো এক সপ্তাহ ধরে - ৬ষ্ঠ দিন (150 TRX daily for 7 consecutive days :: DAY 06)


trx logo.png




টার্গেট ০৩ : ১,০৫০ ট্রন স্টেক করা


সময়সীমা : ৩১ জুলাই ২০২২ থেকে ০৬ আগস্ট ২০২২ পর্যন্ত


তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২২


টাস্ক ২০ : ১৫০ ট্রন ডিপোজিট করা আমার একটি পার্সোনাল TRON HD WALLET এ যার নাম Tintin_tron


আমার ট্রন ওয়ালেট : TTXKunVJb12nkBRwPBq2PZ9787ikEQDQTx

১৫০ TRX ডিপোজিট হওয়ার ট্রানসাকশান আইডি :

TX ID : 82b18420575dcd39a81ed7ed1506864d9f5101007b6d9f122a2aee58d01db25f

টাস্ক ২০ কমপ্লিটেড সাকসেসফুলি


এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তো যে কোনো এমাউন্ট এর টিপস আনন্দের সহিত গ্রহণীয়

Account QR Code

TTXKunVJb12nkBRwPBq2PZ9787ikEQDQTx (1).png

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
Sort Order:  

god bless you

প্রথমেই বলবো চশমা পড়ে টিনটিন বাবাকে বেশ ভালোই লাগছে । ওকে সম্ভবত এবারই প্রথম এই লুকে দেখলাম। তবে যাই বলেন ভাই , চশমা দুটো আসলেই বেশ স্মার্ট। যাইহোক পার্কের এমন কপোত কপোতিদের এহেন অবস্থা যদি এখন সিরাজ সাহেব বেঁচে থেকে দেখতেন ,না জানি ওনার যে কি হতো । তা বলা খুবই মুশকিল।

টিনটিন বাবুর ছবিগুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো দাদা। টিনটিনকে অনেকদিন পর দেখলাম। সুন্দর কোন জায়গায় ঘুরতে গেলে ভালো লাগে। তবে পরিবার-পরিজন নিয়ে গেলে অনেক সময় বিপাকে পড়তে হয়। কারণ বিভিন্ন পার্কে বা সুন্দর কোন জায়গায় কপোত কপতিদের অত্যাচারে সাধারণ মানুষ পরিবার নিয়ে ঘুরতে যেতে লজ্জা বোধ করে। দাদা আপনার কেনা চশমা গুলো কিন্তু দারুণ হয়েছে। শুভকামনা রইল দাদা।

টিনটিন বাবুকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার মুহূর্তটা সত্যিই চমৎকার ছিল। বিশেষ করে সিরাজ উদ্যানে কাটানো মুহূর্তটা সত্যিই টিনটিন বাবু সেখানে দারুন মুহূর্ত অতিবাহিত করেছে। তাছাড়া এই পার্কে কপোত কপত্তিদের রোমান্টিকতার বিষয়টি জানতে পেরে আমিও লজ্জাবোধ করছি দাদা। সত্যি এই ধরনের কিছু দেখলে আমি নিজেই লজ্জা পাই অনেক সুন্দর একটা মুহূর্ত পার করেছিলেন। যেটা আমাদের কাছে অনেক ভালো লাগলো।

জায়গাটি অনেক সুন্দর।এখন সব জায়গা তেই কপোত কপোতির ভিড়। পরিবার নিয়ে কোথাও হাটার জো নেই।আর টিন টিন বাবুর চশমা টা ওকে অনেক মানিয়েছে।

পার্কটিতে প্রবেশের পর কি একটু ও কি সিরাজুদ্দৌলার মত ফিলিংস এসেছিল দাদা?? তার সৈন্য সমান্তের অস্তিত্ব তো এখনো রয়েই গেছে স্ট্যাচুর মাঝে।
তবে একটা কথা কিন্তু মানতেই হবে সেই সময়ে সিরাজুদ্দৌলার চেয়ে কিন্তু এখন ওখানে তার চেয়ে বেশি প্রশান্তিতে কিছুটা সময় কাটাতে পারবে। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত বাহন, আশ্রয় এবং যতটা সম্ভব শীতল পানি। যার কোনটার স্বাদ এত বড় রাজ্বত্যের অধিকারী হয়েও সিরাজুদ্দৌলার পক্ষে সম্ভব হয়নি।

তবে বাঁধ সাদবে ওই একটি কাজে কিছুটা পথ চোখ বন্ধ করে পার হতে হবে যে। সিরাজুদ্দৌলা এটা অবশ্যই চোখে দেখে সহ্য করতো না জরুরী আইন করে তাদের বিরুদ্ধে একটা ব্যবস্থা অবশ্যই নিত।

আমিও একসময় হাফ ফ্রেম চশমা ব্যবহার করতাম কয়েক বছর হলো ফুল ফ্রেম এ ট্রান্সফার করেছি। এবার দেখি আপনাকে অনুকরণ করতে ইচ্ছে হচ্ছে। ওমন ফ্রেম কি অর্ডার করেই ফেলবো কিনা।

টিনটিন বাবুকে সব সময়ের জন্য ফ্রেশ লেগেছে।

শেষমেষ আপনিও সাজুগুজু করে বের হলেন?
আপনার চশমা দেখে আমারও মনে পড়ে গেল যে চশমা বানাতে হবে। সময়ের অভাবে যেতে পারছি না। ছোট বাচ্চার যন্ত্রনায় চশমা রাখা যায় না। শুধু নিয়ে ভেঙে ফেলে। খুব মজা লাগলো যে কপত কপতির যন্ত্রণায় আপনার ঘোরার আগ্রহ হারিয়ে গেল। এমন যুগল দেখে আগ্রহতো আরো বেড়ে যাওয়ার কথা ছিল😜😜।
সিরাজউদ্দৌলা এই জায়গায় বিশ্রাম করতো দেখেই কি এই জায়গার নাম সিরাজ উদ্যান হয়েছে। যাইহোক জায়গাটি বেশ চমৎকার ছবি দেখে মনে হল।

এই জায়গাটির নাম অনেকবার শুনেছি, ইতিহাসটাও জানি ।কিন্তু কোন সময় যাওয়া হয়ে ওঠেনি। তার অন্যতম প্রধান কারণ হলো এই জায়গাটি সম্পর্কে সঠিক আইডিয়া ছিল না আমার। তবে আজকে আপনার পোস্ট দেখে মোটামুটি একটা আইডিয়া পেলাম, এবং এই জায়গাটির সাথে আমার সাক্ষাৎ যে খুব বেশি দেরি নেই সেটাও আইডিয়া করতে পারলাম।😂

দাদা সিরাজ উদ্যান এর চমৎকার একটি সময় কাটিয়েছেন দেখে খুব ভালো লাগলো। হ্যাঁ এ গরমে ঘুরাঘুরি করা খুব ক্লান্তির একটি বিষয়। টিনটিন বাবু খুব চমৎকার আনন্দঘন একটি সময় কাটিয়েছিলেন। সবগুলো ফটোগ্রাফ অনেক চমৎকার ছিল। ধন্যবাদ প্রিয় দাদা আপনার আনন্দঘন একটি সময় আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।

টিন টিন বাবুর ছবিগুলো সত্যিই সুন্দর লাগছে 😍
উদ্যানের ভেতরের পরিবেশ বেশ দারুন দেখলাম, তবে এধরনের জায়গায় মানুষ প্রেম নিবেদন করতে বেশি যায় বলে পরিবার নিয়ে সত্যিই বেশ ইতস্তত লাগে।
যাক তবুও রেস্টুরেন্টে গিয়ে বেশ সময় কাটিয়েছেন।
চশমাগুলো কিন্তু বেশ সুন্দর ছিল।

দোয়া রইল পুরো পরিবারের জন্য।

কর্মব্যস্ততার মাঝেও পরিবার নিয়ে মাঝে মাঝে ঘুরতে গেলে খুবই ভালো লাগে এবং মানসিক প্রশান্তি আসে। দাদা আপনি আপনার পরিবারের সকলকে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছেন দেখে ভালো লাগলো। টিনটিন নিশ্চয়ই অনেক খুশি হয়েছে। দেখেই বোঝা যাচ্ছে সে অনেক আনন্দ করেছে। তবে বর্তমানে প্রেমিক প্রেমিকাদের ভিড়ে কোথাও শান্তি মত ঘুরে বেড়ানো যায় না। অনেক সময় খুবই লজ্জাকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়। দাদা আপনার পরিবারের সকলের জন্য শুভকামনা রইল। ❤️❤️❤️

দাদা চশমা জোড়া দেখতেই অনেক সুন্দর হয়েছে।আমি রিতিমত চশমা দেখলে ক্রাশ খায় কারন আমি চশমা প্রেমি।আর আপনার ফটোগ্রাফি গুলো বেশ ভালই হয়েছে। দাদা সাথে যদি টিনটিন না থাকতো তাহলেই অনেক মজাই হতো🤪🤪কারণ আপনি আর বৌদি কপোত-কপোতি হয়ে বসে যাইতেন!!!

পরিবার নিয়ে আপনার সিরাজ উদ্যানে ঘুরতে যাওয়া, চশমার হাফ রিম পরিবর্তন করে ফুল রিম পরা এবং সিরাজ উদ্যানের বর্ণনা, ভ্যাপসা
ল্ল গরম কিংবা কপোত-কপোতীর জন্য বসতে না পারা সব কিছুই ভালো লাগার মতো। আমাদের সবারই উচিত মাঝে মাঝে পরিবার নিয়ে এরকম ঘুরতে যাওয়া।

সিরাজ উদ্যানের এই সুন্দর সুন্দর ছবিগুলো দেখে মন ভরলো। সাথে টিনটিন বাবুর হাসিভরা মিষ্টি মুখখানি। সব মিলিয়ে সুন্দর।

টিনটিন বাবুকে খুবই কিউট লাগছে। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি খুবি সুন্দর হয়েছে। সত্যি দাদা চশমা গুলো খুবই সুন্দর ছিল। কপত কপতির যন্ত্রণায় কোথাও নিরিবিলি বসার জায়গা পেলেন না শুনে খুবই খারাপ লাগলো। তবে দাদা সিরাজউদ্দৌলা উদ্যানটা খুবই সুন্দর ছিল। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

আহারে, কপোত-কপোতী দেখে আপনার অনুভূতি কেমন ছিলো,যদি একটু জানতে পারতাম😉😉।যাই হোক চশমাগুলো বেশ সুন্দর। আসলেই স্মাট লাগবে😄।ধন্যবাদ আপনাকে

দাদা আপনার আজকের ফটোগ্রাফির মাধ্যমে প্রাচীন ইতিহাস আবারও মনে পড়ে গেল। সত্যিই ইতিহাস কখনো ভোলার নয়। নবাব সিরাজউদ্দৌলার হাতি এবং ঘোড়া ব্যবহারের দৃশ্যগুলো এই ফটোগ্রাফির মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছে। সত্যি দেখে খুবই ভাল লাগল এবং সেই যুদ্ধের কথা মনে পড়ে গেল। আপনি খুবই সুন্দর ভাবে আমাদের ফটোগ্রাফির মাধ্যমে নবাব সিরাজউদ্দৌলার ইতিহাসের দৃশ্য আবার মনে করিয়ে দিলেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।

চশমা জোড়ার ফ্রেম দুটো আসলেই চমৎকার দেখতে । পরলে স্মার্ট লাগবে ।

দাদা আপনি তো এমনিতেই অনেক স্মার্ট চশমা পরলে সৌন্দর্যটা আরো বেড়ে উঠবে।।
নবাব সিরাজউদ্দৌলার উদ্যান ঘুরে সুন্দর ফটোগ্রাফির মাধ্যমে সুন্দর ইতিহাস তুলে ধরেছেন খুবই ভালো লাগলো। সবথেকে বেশি ভালো লেগেছে টিনটিন বাবার ফটোগ্রাফি গুলা অসাম ছিল।❤️❤️

সিরাজ উদ্যানে ঘুরতে গিয়ে আপনারা অনেক মজা করেছেন দাদা আপনাদের ছবিতেই দেখে বোঝা যাচ্ছে । আসলেই কোথাও ঘুরতে গেলে অনেক মজা হয়।প্রত্যেকটা বেঞ্চ দখল করে জড়াজড়ি করে বসে রয়েছে এক জোড়া করে কপোত-কপোতী । কেউ আলিঙ্গনাবদ্ধ তো কেউ চুম্বনাবদ্ধ । তাদেরকে দেখলে লজ্জা নিজেই লজ্জা পেয়ে ভ্যানিশ হয়ে যাবে । শুনে অনেক হাসি পাচ্ছে দাদা।গাড়ির বনেটের উপর বসে টিনটিনবাবুর পোজ আসলেই টিনটিন বাবু অনেক সুন্দর ভাবে পোজ নিয়ে ছবি তুলেছে যেমন কালারের টি-শার্ট ,তেমন কালারের প্যান্ট, তেমন কালারের ক্যাপ ,তেমন কালারের পায়ের স্যান্ডেল ,আবার সানগ্লাসটাও দেখছি ম্যাচিং করে পড়েছে আসলে দেখতে অনেক চমৎকার লাগছে। এমনিতেই টিনটিন বাবু অনেক সুন্দর ছবিতে আরো বেশি ভালো লাগছে। আপনার চশমা দুটো অনেক সুন্দর হয়েছে দাদা আপনি পড়লে অনেক স্মার্ট লাগবে।

শেষ পর্যন্ত সাজুগুজু করে শপিং শেষ করে, এই প্রথম ফুল ফ্রেমের চশমা নিয়ে,পার্কের দিকে এগিয়ে যাওয়া।বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় টিনটিন বাবু যে পোজ করে ছবি তুলেছে গাড়ির বর্ণাঢ্যে সেটি আমার কাছে দারুন লেগেছে।তাছাড়া চশমার ফ্রেম গুলো আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে শুভকামনা আপনাদের জন্য♥

Hi @rme,
my name is @ilnegro and I voted your post using steem-fanbase.com.

Come and visit Italy Community

সান্ধ্যকালীন কপোত কপোতীর ঠেলায় কোথাও একটু বসার মতো নিরিবিলি ফাঁকা স্থান পেলাম না ।

কপোত কপোতীদের যন্ত্রনায় পরিবার নিয়ে কোন পার্কে ঘুরতে যাওয়া যায় না। কি একটা বাজে সিচুয়েশন তৈরি হয়।
টিনটিন বাবুকে চশমা আর ক্যাপ এ খুব সুন্দর দেখতে লাগছে। সিরাজ উদ্যান পার্ক এর স্ট্যাচুগুলো খুব ভালো লাগলো। এরকম সুন্দর জায়গায় ঘুরতে গেলে মন একদম ফ্রেশ হয়ে যায়।
ভালো থাকবেন দাদা, আপনাদের জন্য শুভকামনা রইলো।

অনেক ভালো লাগলো টিনটিন বাবুকে দেখে । দাদা , আপনার পোস্ট থেকে আসলে আমরা অনেক জায়গা সম্বন্ধে জানতে ও দেখতে পারি । ফটোগ্রাফিগুলো সত্যি ই অসাধারন হয়েছে ।ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য ।

দাদা, সিরাজ উদ্যানের সৌন্দর্যের চেয়েও টিনটিন বাবুর সৌন্দর্য বেশি ফুটে উঠেছে আপনার এই ফটোগ্রাফি পোস্টে। দারুন একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট উপহার দেয়ার জন্য প্রিয় দাদা আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ।

টাওয়ার অফ ব্রীজের প্রবেশদ্বার টা তো দারুণ। এবং ভাস্কর্যগুলো বেশ চমৎকার। গ্লাসগুলো বেশ চমৎকার তবে সাদা ফ্রেমের টা বেশি সুন্দর লাগছে। জায়গাটা বেশ দারুণ দেখছি।

টিনটিন বাবুর হাস্যজ্জল মুখটি দেখে বুঝতে পারছি সে কতটা আনন্দ উপভোগ করেছিল। ওর ইচ্ছা পূরণ করতে গিয়ে খুব সুন্দর একটা জায়গায় ঘুরতে যাওয়াটাই এত আনন্দের কারণ। দাদা হাতি পুকুর ও সিরাজ উদ্যান সমন্ধে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়ে উপকৃত হলাম। সিরাজ উদ্দানে চমৎকার ও ঐতিহাসিক বেশ কিছু স্ট্যাচু দেখে খুব ভালো লাগলো। উদ্যানের দৃশ্যগুলো অনেক ভালো ছিল। কিন্তু বেঞ্চের মধ্যে জোড়ায় জোড়ায় থাকা কপোত কপোতীর জন্য আসলেই যেকোনো পার্কে সন্তানদের নিয়ে চলাফেরা করাই মুশকিল। একটা কথা না বললেই নয় টিনটিন বাবুর ড্রেসের সাথে চশমাটা দারুন মানিয়েছে। আর আপনার চশমা দুটোও কিন্তু খুব ভালো হয়েছে।

প্রিয় দাদা আপনারা সবাই অনেক একটি সময় অতিবাহিত করেছেন, আর টিনটিন বাবুকে চশমা টা জোস মানিয়েছে, একদম তামিল হিরো লাগতেছে, এছাড়াও সিরাজ উদ্যানের ফটোগ্রাফি গুলো মন কেরে নেওয়ার মত, এতো সুন্দর একটি মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় দাদা।

চশমা গুলো সুন্দর খুব।
আপনাদের লজ্জা পেয়ে আর কাজ নেই দাদা।🤪🤪দারুণ জায়গা।

আরিব্বাস! জায়গাটা দারুন তো। এদিকে আমি কলকাতার কোথায় সিরাজ উদ্যান আছে সেটাই জানতাম না 🥲। যাক তোমার দৌলতে দেখে নিলাম।

লেন্সকার্টের চশমা গুলো দেখতে তো বেশ ভালো। কোয়ালিটি কেমন গো দাদা?

টিনটিন কে হেভভি কিউট লাগছে। 😎

This post has been upvoted by @italygame witness curation trail


If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness




CLICK HERE 👇

Come and visit Italy Community



দাদাও নাকি সাজুগুজু করে বেরিয়েছে 😂। এটা পড়ে যা হাসলাম দাদা😊😊। আজ নতুন একটা জায়গা দেখলাম। এই জায়গাটার নাম অবশ্য শুনি নি। বেশ ভালই লাগলো। টিনটিন কে তো মারাত্মক কিউট লাগছে 🥰👌। আর চশমা গুলো পরে আপনাকে কেমন লাগতে পারে সেটাই ভাবছি । এমনি তে বেশ ভালো লেগেছে ফ্রেম দুটো।

সন্ধ্যায় টিনটিনবাবুর পার্কে রাইডিং এর লাষ্ট ফটোগ্রাফিটা অনেক সুন্দর হয়েছে। হাতি ঘোড়া ও পদাতিক বাহিনীর স্ট্যাচ্যু গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে। দেখেই বুঝা যায় দক্ষ হাতে তৈরী করা।
দাদা হাতি পুকুর আর বিশ্রামগৃহ টা দেখার শখ ছিল। ধন্যবাদ দাদা।

সিরাজ উদ্যানকে হাতীপুকুর ও বলা হয়।আমি এখানে একবার গিয়েছি, ভালোই লাগে সময় কাটাতে।তাছাড়া শুনেছি এই পুকুরে প্রচুর হাতি জল খেতে আসতো আগে তাই এই নাম।টিনটিন বাবুকে দারুণ দেখতে লাগছে দাদা।দারুণ মজার সময় পার করেছেন।ধন্যবাদ আপনাকে।

  ·  5 days ago (edited)

কিছু নতুন তথ্য জানতে পারলাম। হাতি পুকুর নামটিও বেশ চমৎকার মনে হয়েছে আমার কাছে। গরমে সব কিছুই অসহ্য লাগে। টিন
টিন বাবু কে বেশ প্রানবন্ত লাগছে। প্রকৃতি যেন বিরুপ আমাদের উপর। তবে দাদা চশমা গুলো কিন্তু দারুন । মনে হয়েছে লাইট ওয়েট । তবে আপনি তো সব সময় চোখ ঢেকে রাখেন।

তোমার ঐ নয়ন দুটো দেখিবারে চায় মন
যদি দেখা যায় যদি বোঝা যায়
অপেক্ষায় থাকে আমার এই দু নয়ন। হা হা

ভাল থাকবেন দাদা। শুভেচ্ছা ও ভালবাসা নেবেন।

ওহ্,, টিনটিন বাবুর তো একদম হিরো লাগছে । সব ছবিগুলো দারুন উপভোগ করলাম।

জড়াজড়ি করে বসে রয়েছে এক জোড়া করে কপোত-কপোতী ।

কি আর বলবো দাদা, শিশুপার্কে গেলেও দেখি ভবিষ্যৎ শিশুর মা-বাবা বসে আকাম করছে। একমাত্র বন্ধুদের সাথে পার্কে ঢোকার সাহস পাই। তাছাড়া কারো সাথে পার্কে ঢুকতে সাহস পাই না। নোংরা পরিবেশ একদম।

হাঃ হাঃ হাঃ বেস্ট কমেন্ট

কি আর বলবো দাদা, শিশুপার্কে গেলেও দেখি ভবিষ্যৎ শিশুর মা-বাবা বসে আকাম করছে। একমাত্র বন্ধুদের সাথে পার্কে ঢোকার সাহস পাই। তাছাড়া কারো সাথে পার্কে ঢুকতে সাহস পাই না। নোংরা পরিবেশ একদম।

Really nice pictures here. That kid, he must be a game playerGame Boy nce hair he got there too and the glasses.

  ·  5 days ago (edited)

বাহ বাবা ছেলে তো ভালই মজা করলেন। টিনটিন হাত্তে হাত্তে অবস্থা খারাপ, আবার গরম ও আছে ভালোই।
তবে চশমা দুটো ভালো লেগেছে আর জাইগাটা কিন্তু বেশ সুন্দর। কিছুটা আমাদের এরিয়ার মতো।

টিনটিন এর কাছে আপনি মার খেয়ে গেছেন দাদা। টিনটিন কে দারুন স্মার্ট লাগছে। সিরাজ উদ্যানের স্ট্যাচুগুলো আমার কাছে দারুন লেগেছে। দেখে মনে হচ্ছে মেটাল দিয়ে তৈরি করা। চমৎকার সময় কাটিয়েছেন দেখা যাচ্ছে। ধন্যবাদ আপনাকে।

সত্যি জায়গাটা অনেক সুন্দর। এতো মনোরম পরিবেশ।সেখানে আবার ফ্যামেলির সাথে সময় কাটানো সত্যি আমাকে অনেক মুগ্ধ করেছে। আমার মা বাবা ঠিক এমন জায়গায় যাইতো সময় কাটানোর জন্য । আপনার এই ছবিটিতে ছোটবেলার একটা অতীত মনে পরে গেল। টিনটিন বাবু আপনার ছেলে এটি আমার বন্ধু জানায়।যখন আপনার কমিউনিটি সম্পর্কে আমাকে বলে। দেখার ইচ্ছা ছিল আজ দেখেও নিলাম। ছবিতে দেখতে পেলাম টিনটিন বাবু রাইডে অনেক মজা করছে বলে মনে হয়।আর দাদা আপনার চশমা অনেক সুন্দর। আপনার চশমা দেখে খুব ভালো লাগছে। এরকম চশমা আমি পছন্দ করি রাতে বেলা পড়তে। রাতে বাইক রাইট করার জন্য বেস্ট।

সিরাজ উদ্যানের ছবিগুলো দেখে খুব ভাল লাগলো। বাংলার ইতিহাসে সিরাজ বেচে থাকবেন। সিরাজ উদ্যানে টিনটিন বাবুর ছবি গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে।
নবাবের নবাবীর সেই হাতিপুকুর এখন কেবল স্মৃতি!!
কপোত-কপোতিদের বিচরণ ভূমি!

মন খারাপ ঘুরতে যাও মন ভালো হয়ে যাবে।আর পরিবার নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার আনন্দই অন্যরকম। শত ব্যস্ততার মাঝে সময় বের করে পরিবার নিয়ে সকলরই বেরিয়ে পরা উচিত।টিনটিন বাবুর ছবি সহ সকল ছবি খুবই সুন্দর হয়েছে দাদা।